চাকরির আবেদনে সিভি বাদ পড়ার কারণ

চাকরির বাজারে একজন প্রার্থীর প্রথম পরিচিতি তৈরি হয় তার জীবনবৃত্তান্ত বা সিভির মাধ্যমে। কিন্তু অনেক সময় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধু সিভির কিছু সাধারণ ভুলের কারণে নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে ইন্টারভিউর জন্য কোনো ডাক আসে না।

সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো বানান ও ব্যাকরণগত অসতর্কতা। একটি সিভিতে ভুল বানান বা অগোছালো বাক্য থাকলে নিয়োগকর্তারা প্রার্থীর দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাই সিভি চূড়ান্ত করার আগে বারবার তা ভালো করে পড়ে দেখা উচিত।

অনেকে সব ধরণের চাকরির জন্য একই সিভি ব্যবহার করেন, যা মোটেও ঠিক নয়। যে পদের জন্য আবেদন করা হচ্ছে, সেই কাজের প্রয়োজনীয় যোগ্যতার সাথে মিল রেখে সিভি তৈরি না করলে তা শুরুতেই বাদ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সিভিতে অতিরিক্ত ও অপ্রাসঙ্গিক তথ্যের ভিড় জমানো আরেকটি বড় ত্রুটি। নিয়োগকর্তারা খুব কম সময়ে একটি সিভি যাচাই করেন। তাই দীর্ঘ অনুচ্ছেদ না লিখে কাজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের দক্ষতাগুলো সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট আকারে উপস্থাপন করা জরুরি।

যোগাযোগের জন্য ভুল বা সচল নয় এমন ফোন নম্বর এবং ইমেইল ঠিকানা দেওয়ার কারণেও অনেকে ইন্টারভিউর সুযোগ হারান। এছাড়া সিভিতে নিজের অর্জনগুলো নিয়ে মিথ্যা বা বাড়িয়ে বলা তথ্য দিলে পরবর্তী সময়ে প্রার্থীর নির্ভরযোগ্যতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।

Read Previous

শিশু নিরাপত্তায় ব্যর্থ মেটা: ৭০ হাজার কোটি টাকা জরিমানা

Read Next

ফেসবুকে বিজ্ঞাপনের বিল মেটাতে যুক্ত হচ্ছে বিকাশ সেবা

Most Popular