বৃষ্টিতে অনুপস্থিত থাকায় পুনরায় সুযোগ, তাতেও অনুপস্থিত ১৬!

অতিবৃষ্টি, জলাবদ্ধতাসহ বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ায় বিক্ষোভে নেমেছিলেন শিক্ষার্থীরা। সারাদেশেও সেই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। বাধ্য হয়ে সরকার ওইদিন অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দেয়।

পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে ৮টি বোর্ড (চট্টগ্রাম বাদে) থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন ১২৬ জন পরীক্ষার্থী। সোমবার (২৪ আগস্ট) ওইদিনের পরীক্ষা পুনরায় নেওয়া হয়। তবে পুনরায় সুযোগ পেয়েও পরীক্ষায় ফের অনুপস্থিত ছিলেন ১৬ জন শিক্ষার্থী।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্যমতে, ৮ বোর্ড মিলিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১১০ জন এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বাকি ১৬ জন আজও অনুপস্থিত ছিলেন। তারা আগ্রহ দেখিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলেও এ পরীক্ষায় অংশ নেননি।

বোর্ডের পরিসংখ্যান মতে, দ্বিতীয়বার সুযোগ পাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ২৬ জন, রাজশাহীতে ৩৭ জন, কুমিল্লায় ২৫ জন, যশোরে ১২ জন, সিলেটে ৯ জন, বরিশালে তিনজন, দিনাজপুর ছয়জন, ময়মনসিংহে ছয়জন।

পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ঢাকায় ২৬ জন, রাজশাহতে ৩৪ জন, কুমিল্লায় ২০ জন, যশোরে ১১ জন, সিলেটে ছয়জন, বরিশালে দুজন, দিনাজপুরে ছয়জন, ময়মনসিংহে তিনজন।

আর অনুপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে তিনজন, কুমিল্লায় পাঁচজন, যশোরে একজন, সিলেটে তিনজন, বরিশালে একজন ও ময়মনসিংহে তিনজন। এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম বাদে ৮টি বোর্ডে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বোর্ডে একটি করে কেন্দ্র ছিল। সেখানে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ নতুন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে। সুষ্ঠুভাবে এ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম বোর্ডে পরীক্ষা স্থগিত ছিল। এদিন এ বোর্ডে সংশোধিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৭২৫ জন। তাদের মধ্যে অংশ নেন ৬৬ হাজার ৬৯০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৩৫ জন।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলোর আলিম পরীক্ষাও নতুন সূচিতে নেওয়া হয়েছে। এদিন চট্টগ্রাম বোর্ডের চার জেলায় আলিমের ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৮ হাজার ৫৫৯ জন। এর মধ্যে অংশ নেন ৮ হাজার ১৩৩ জন এবং অনুপস্থিত ছিলেন ৪২৬ জন। এদিন পরীক্ষায় কোনো বোর্ডেই কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কার বা কোনো পরিদর্শককে বহিষ্কারের তথ্য পাওয়া যায়নি।

Read Previous

কোম্পানি নিবন্ধন-পরিচালনায় বড় পরিবর্তন আসছে

Read Next

‘বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি টেস্ট খেলতে চাই’

Most Popular