ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল চূড়ান্ত করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তালিকা থেকে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা পাওয়া না গেলে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদেরও নিয়োগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্যানেল তৈরির সময় বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তাদের বাদ দিয়ে তালিকা প্রস্তুতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তবে প্রয়োজন হলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদেরকেও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে।
২২ নভেম্বর বিএনপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লিখিত প্রস্তাব দিয়ে ইসলামী ব্যাংকসহ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানায়। এর তিনদিন পর এসব প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়ার আহ্বান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এদিকে গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো:
. নির্বাচন ও গণভোট: ১২ ফেব্রুয়ারি, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা
. মনোনয়নপত্র দাখিল: শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর..মনোনয়ন বাছাই: ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি
. আপিল দাখিল: ১১ জানুয়ারি
. আপিল নিষ্পত্তি: ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি
. প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ২০ জানুয়ারি
.প্রতীক বরাদ্দ: ২১ জানুয়ারি
. প্রচারণা: ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত
ইসি জানিয়েছে, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হচ্ছে।
