মুক্তিযোদ্ধার নাম ব্যবহার করে প্রতারণা চলবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ

 

সাইনবোর্ড দেখানোর জন্য একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে ভিড়িয়ে জাতির সাথে প্রতারণা করা যাবে না মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এদেশের মানুষ জানে আপনারা এদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিলেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরী এলাকায় হিন্দু-বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দলেই সবচেয়ে বেশি সেক্টর কমান্ডার ও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। বিএনপিই স্বাধীনতার পক্ষের দল এবং এই দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক ও রণাঙ্গণের একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি আরো বলেন, এদেশের বড় আলেম উলামারা আজ জামায়াত ইসলামীর ধর্মীয় বিভ্রান্তির বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বিএনপিকে এদেশের শক্তি এবং এদেশের রাজনৈতিকদল উল্লেখ করে সবাইকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহবান জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, এদেশে নতুন করে কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হতে দেয়া হবেনা। মুক্তিযোদ্ধারা যে স্বপ্ন দেখেছিলো বারে বারে তাদের স্বপ্ন হোচট খেয়েছে। গণতন্ত্র বাধাগ্রস্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আর সেদিকে যেতে চাইনা।

তিনি বলেন, আমাদের গণঅভ্যুত্থানের শহিদেরা আমাদের সন্তানেরা ও মুক্তিযোদ্ধারা যে স্বপ্ন দেখেছিলো সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ বির্নিমাণ করতে হবে। এদেশ আমাদের ঠিকানা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, এখানেই জন্ম এখানেই মৃত্যু আমাদেরকে এখানেই থাকতে হবে। কাজেই এদেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে। শহীদদের স্বপ্ন পুরণের বাংলাদেশ গড়তে হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এদেশে ধর্ম বর্ণের ভিত্তিতে কোন বৈষম্য নাই সেটাই আমরা প্রতিষ্ঠিত করবো। সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গিকার দিয়ে তিনি বলেন, অতীতেও বিএনপি এদেশের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলো ভবিষ্যেতেও তাই করবে। আমাদের পরিচয় হবে একটাই আমরা সকলে বাংলাদেশি।

এ সময় চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু ফখরুদ্দীন ফরায়জী, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিনসহ হিন্দু বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মালবম্বীদের স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন।

Read Previous

ভুটানের জালে বাংলাদেশের এক ডজন গোল

Read Next

১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের বড় উত্থান, কত বাড়ল দাম?

Most Popular