ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ছয়টি মিত্র উপসাগরীয় রাষ্ট্র যৌথ বিবৃতি দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলে (মধ্যপ্রাচ্যে) ইরানের কর্মকাণ্ড ‘বিপজ্জনক বৃদ্ধি’ প্রতিনিধিত্ব করছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।
‘বেসামরিক নাগরিক এবং অ-যুদ্ধরত রাষ্ট্রগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা বেপরোয়া আচরণ যা স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।’ কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শেয়ার করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মূলত আরবি ভাষায় প্রকাশিত এই বিবৃতিটি যৌথভাবে কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জারি করেছে।
তারা বলছে যে তারা ‘আত্মরক্ষার অধিকার পুনর্ব্যক্ত করছে’ কারণ এই অঞ্চলে এখনও ইরানের হামলা অব্যাহত রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, বাহরাইন, ইরাক (ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চল সহ), জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা হয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে হামলাগুলোকে অযৌক্তিক এবং সার্বভৌম ভূখণ্ড, বিপন্ন বেসামরিক জনসংখ্যা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে’ করা হয়েছে- বলা হয়।
ইরানের শহর ও সামরিক স্থাপনাগুলিতে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ বিমান হামলার সরাসরি প্রতিশোধ হিসেবে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনাও অন্তর্ভুক্ত, ইরান মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইসরাইল এবং মার্কিন সামরিক সম্পদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানোর পর এই বিবৃতি জারি করা হয়।
