চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় এলপিজি-এলএনজিবাহী ৮ জাহাজ

 

আমদানি করা তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ৮টি জাহাজ এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছিল।

রোববার (৮ মার্চ) চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, জাহাজগুলো বর্তমানে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী জলসীমায় অবস্থান করেছে। এর মধ্যে কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে ফ্রান্সের পতাকাবাহী জাহাজ ‘আল জুর’। এই জাহাজটির স্থানীয় এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিগ্লোবাল।

এছাড়া গ্রিসের পতাকাবাহী জাহাজ ‘আল জাসাসিয়া’ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। জাহাজটিরও পরিচালনার দায়িত্বে আছে ইউনিগ্লোবাল। বাহামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লুসাইল’ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। এর স্থানীয় এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে ইউনিগ্লোবাল।

ওমানের সোহার বন্দর থেকে ২২ হাজার ১৭২ ইউনিট এলপিজি নিয়ে এসেছে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এলপিজি সেভান’। জাহাজটির এজেন্সির দায়িত্বে আছে ইউনিক মেরিটাইম। পানামার পতাকাবাহী আরেকটি জাহাজ ‘জি ওয়াইএমএম’ ওমানের সোহার বন্দর থেকে ১৯ হাজার ৩১৬ ইউনিট এলপিজি নিয়ে এসেছে। এই জাহাজটির স্থানীয় এজেন্সি হলো ইউনিক মেরিটাইম।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ ইউনিট এমইজি নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘বে ইয়াসু’ জলসীমায় পৌঁছেছে। জাহাজটি পরিচালনার দায়িত্বে আছে মিউচুয়াল শিপিং। লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘আল গালায়েল’ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৫৭ হাজার ৬৬৫ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। এর এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিগ্লোবাল।

আর কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে ৬২ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লেব্রেথাহ’ জলসীমায় প্রবেশ করেছে। জাহাজটির স্থানীয় এজেন্সি হিসেবে কাজ করছে ইউনিগ্লোবাল।

Read Previous

সেহরিতে ৩ খাবার সারাদিন শরীর সতেজ রাখে

Read Next

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার আঁচ ভারতে, বাড়ল গ্যাসের দাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Most Popular