রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় অটোরিকশা ও ভটভটির (ইঞ্জিনচালিত তিন চাকার যান) মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে বাঘা-লালপুর সড়কের বাঘা উপজেলার চন্ডিপুর এলাকায় হজরত আলীর বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাটোরের লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে বাঘার দিকে আসছিল। পথিমধ্যে চন্ডিপুর এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ভটভটির সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত এবং গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যান।
নিহতরা হলেন- লালপুর উপজেলার নওপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক শরিফুল ইসলাম (৪৫), একই উপজেলার বধুপাড়া গ্রামের নিরাপদ দাসের ছেলে বিধান দাস (৫৫) এবং আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী রকেনা বেগম (৯০)।
দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আন্দী গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে শাহাজান আলী (৩৫) ও চকবাদুড়িয়া গ্রামের আবদুল হান্নানের স্ত্রী সীমা বেগম (৫০)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহতদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
প্রত্যক্ষদর্শী আলমগীর হোসেন বলেন, সকালে ঘন কুয়াশার কারণে সড়কে কোনো কিছু দেখা যাচ্ছিল না। এতে একে অপরকে দেখতে না পেয়ে অটোরিকশা ও ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক জানান, লালপুর থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজি বাঘার দিকে আসছিল। পথে ভটভটির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ তিনজন নিহত হন। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে এবং দুর্ঘটনায় জড়িত যান দুটি উদ্ধার করা হচ্ছে।
