সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে শুরুটা আগ্রাসী ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষদিকে পুঁজিটাকে আশানুরূপ বড় করতে পারেননি লিটন-হৃদয়রা।
মিরপুরে রোববার (১৫ মার্চ) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৭ রানের ইনিংস খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল হারিস রউফ।
তিন ম্যাচ সিরিজে প্রথম দুই ওয়ানডে ১-১ সমতায় শেষ করেছে দুদল। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি তাই অলিখিত ফাইনালে রূপ নিয়েছে। এ ম্যাচ জিতলে সিরিজ জয়ের পাশাপাশি র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি করবে টিম টাইগার।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ক্রিজে দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতেই সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম মিলে করেন ১০৫ রান। ৫৫ বলে ৩ চারের মারে ৩৬ রান করে ১৯তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ। এরপর নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ তামিম। ৩৪ বলে ৩ চারের মারে ২৭ রান করে আউট হন শান্ত। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন তানজিদ। শেষ পর্যন্ত ১০৭ বলে ৭ ছক্কা ও ৬ চারের মারে ১০৭ রান করে বিদায় নেন তিনি। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রান। তার বিদায়ের পর বাংলাদেশের রানের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে যায়।
চতুর্থ উইকেট জুটিতে ৬৮ রান করেন লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের জুটি ভাঙে ইনিংসের ৪৭তম ওভারের তৃতীয় বলে। ৫১ বলে ১ ছক্কা ও ১ চারের মারে ৪১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। পরের বলেই হারিস রউফের শিকার হন রিশাদ হোসেন। তার বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন আফিফ হোসেন। তিনি ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ৪৪ বলে ৪ চারের মারে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকেন হৃদয়।
পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন হারিস রউফ। ১০ ওভার বল করে ৫২ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ।
