পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।
সাক্ষাৎ শেষে প্রণয় ভার্মা সাংবাদিকদের জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিয়ে ভারতের কার্যক্রম সম্পর্কে বনমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। এ খাতে ভারতের অত্যন্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য রয়েছে। ইতোমধ্যে নবায়নযোগ্য ও অ-জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও অর্জন করেছে ভারত।
পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচ্য বিষয়ে তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা বাড়াতে কীভাবে বাংলাদেশ-ভারত একসঙ্গে কাজ করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া কার্বন ট্রেডিং সিস্টেম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে, যা বাংলাদেশও চালু করতে যাচ্ছে। এসব বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ, জোটে কীভাবে একসঙ্গে কাজ করা যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে।
প্রণয় ভার্মা আরও বলেন, বাংলাদেশকে ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ এর পূর্ণ সদস্য হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উদ্বোধনী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে।
এ সময় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী জানান, নেপাল আরও বেশি করে জলবিদ্যুৎ দিতে চায় বাংলাদেশকে। সেক্ষেত্রে ভারতের মাধ্যমে নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আনার সক্ষমতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভারত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে অনেক শক্তিশালী। কার্বন ট্রেডিং সিস্টেমেও ভারতের অগ্রগতি রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ এখনও এ ব্যাপারে ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করতে পারেনি। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দলকে ভারতে গিয়ে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ এর সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ সদস্য হয়নি। সেক্ষেত্রে সদস্যপদ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারত।
