মজুতকারীর করুণ পরিণতি!

ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। যেখানে ব্যবসাকে হালাল আর সুদকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ তাআলা ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে করেছেন হারাম। (সুরা বাকারা: ২৭৫)

বেশি মুনাফার লোভে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মানুষকে জিম্মি করা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু গর্হিত কাজই নয়, বরং মারাত্মক পাপ। গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ীর গুদামে আটকে থাকে মানুষের বেঁচে থাকার রসদ।

মজুতদারি হলো কোনো পণ্য বা খাদ্যশস্য অধিক মুনাফার আশায় বাজার থেকে তুলে রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা, যাতে সাধারণ জনগণের কষ্ট হয়। যে সব জিনিস আটকিয়ে বা মজুত রাখলে সর্বসাধারণের কষ্ট বা ক্ষতি হয়, তাকে মজুতদারি বলে (ফাতহুল করিম ফী সিয়াগাতিন নবিয়্যিল আমিন, পৃষ্ঠা-১৩৫)

রসুল (সা.) বলেছেন, পণ্যদ্রব্য আটকে রেখে বেশি মূল্যে বিক্রয়কারী ব্যক্তি অবশ্যই পাপী। শুধু তাই নয়, যে ব্যক্তি ৪০ দিন খাদ্য মজুত রাখবে, মহান আল্লাহ তার ওপর থেকে জিম্মাদারি তুলে নেন। আমদানিকারক পায় মহান আল্লাহর রহমত, আর মজুতদারের কপালে জোটে মহান আল্লাহর লানত।

নবীজি সা. আরও বলেছেন, মহান আল্লাহ যারা মজুতদারি করে তাদের ওপর মহামারি এবং চরম দারিদ্র্য চাপিয়ে দেন। অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ ধ্বংসের কারণ হয়।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, দায়িত্বশীলদের উচিত হবে এসব মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়া। যদি তারা আদেশ অমান্য করে, তবে বিচারক প্রয়োজনে তাদের গুদাম খুলে দিয়ে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করবেন।

Read Previous

সাংবাদিকদের মর্যাদা ও বেতন কাঠামো নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

Read Next

আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ

Most Popular