হাইতি ম্যাচও কঠিন হবে- গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে সহজ স্বীকারোক্তি ব্রাজিলের। তাই পা মাটিতে রেখে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটাই জানিয়েছেন সেলেসাও ফুলব্যাক ডগলাস সান্তোস। দলের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করায় নেইমারের প্রত্যাবর্তন নিয়ে ইতিবাচক এই ফুটবলার।
ব্রাজিল ভক্তদের জন্য স্বস্তির খবর। প্রথমবারের মতো দলের সঙ্গে নেইমার জুনিয়র। বেসক্যাম্পে ফুটবল পায়ে কাজ শুরু করেছেন ব্রাজিলিয়ান নম্বর টেন।
তবুও স্বস্তি কই? মরক্কো ম্যাচের পর প্রশ্নবিদ্ধ দলের সামর্থ্য। হাইতিও নেবে বড় পরীক্ষা। বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতা যে সহজ নয় জানে টিম সেলেসাও। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচের আগে তাই সতর্ক পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
ডগলাস সান্তোস বলেন, এমনটা ভাবার সুযোগ নেই যে হাইতিকে আমরা সহজেই বড় ব্যবধানে হারিয়ে দেব। আমাদের মাটিতে পা রেখে চলতে হবে। কারণ এই মুহূর্তে আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো তিন পয়েন্ট। তারা বেশ ভালো দল। ম্যাচটা বেশ কঠিন হতে যাচ্ছে। তাই আমাদের সবার আগে জয় নিয়েই ভাবতে হবে।
অবশ্য শক্তিমত্তা বিবেচনায় যোজন যোজন পিছিয়ে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশটি। ১৯৭৪ সালে খেলেছিল সবশেষ বিশ্বকাপ। এরপর পাঁচ দশক দর্শক কাতারে থাকার পর, অবশেষে পা রেখেছে বিশ্বমঞ্চে। যদিও শুরুটা ভালো হায়নি তাদের, প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে হেরেছে ১-০ গোলে।
তবে এবারের বিশ্বকাপ যেভাবে মাতাচ্ছে আফ্রিকান দেশগুলো, তাতে চিন্তায় পড়ার কথা ব্রাজিলেরও। অ্যানচেলত্তি নিজেও যে সেরা একাদশ খুঁজে পায়নি এখনো- তা বলাই বাহুল্য। ব্রাজিলের উন্নতির আছে অনেককিছু। তবে সে অনেককিছুর কিছুটা হলেও পূরণ করতে পারেন নেইমার জুনিয়র।
এ বিষয়ে ডগলাস সান্তোস বলেন, আমরা তার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য ও দলে ফিরে পাওয়ার জন্য প্রার্থনা করছি। কারণ সে শতভাগ ফিট থাকলে, আমাদের সবচেয়ে ভালোভাবে সহায়তা করতে পারবে।
আগামী ২০ জুন ফিলাডেলফিয়ায় নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবে ব্রাজিল। ড্র দিয়ে শুরু করা সেলেসাওয়ের জন্য জয় গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ সেরা একাদশ খুঁজে পাওয়াটাও।
