২০১৮ সালের পর ২০২২। জার্মানি দুই বিশ্বকাপেই বিদায় নেয় গ্রুপপর্ব থেকে। ২০২৬ সালের আসরটা তারা শুরু করেছে ফেবারিটদের মতো করে, কুরাসাওকে উড়িয়ে দিয়েছে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে।
‘ই’ গ্রুপে থাকা জার্মানি শনিবার (২০ জুন) দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে। প্রশ্ন হলো, এই ম্যাচেও কি কাই হ্যাভার্টজরা গোলবন্যা দেখাতে পারবেন, না লড়াই হবে চোখে চোখ রেখে? প্রশ্নটি আসছে কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের শক্তি বিবেচনায়।
শক্তিতে কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের মধ্যে বিস্তর ফারাক। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়া কুরাসাও আছে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৩ নম্বরে। আর আইভরি কোস্টের অবস্থান ৩০-এ। জার্মানির বিপক্ষে আফ্রিকার দেশটি অতীতে যে একবার মুখোমুখি হয়েছে, সেটার ফলও তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক। ২০০৯ সালের ওই প্রীতি ম্যাচে জার্মানিকে ২-২ গোলে রুখে দিয়েছিল।
জার্মানি আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয় পেলে সরাসরি শীর্ষ দুইয়ের মধ্যে থেকে শেষ ৩২-এর যোগ্যতা অর্জন করবে। চার ঘণ্টা পরে কানসাস সিটিতে ইকুয়েডর যদি কুরাসাওকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে গ্রুপ ই-এর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য এই জয় যথেষ্ট হতে পারে।
আইভরি কোস্ট জার্মানির বিপক্ষে হেরে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জিতলে এবং ইকুয়েডর প্রথমে কুরাসাওকে এবং গ্রুপের শেষ ম্যাচে জার্মানিকে হারাতে পারে, তাহলে পরিস্থিতি অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। সে ক্ষেত্রে জার্মানি, আইভরি কোস্ট এবং ইকুয়েডর এই তিনটি দলের পয়েন্টই হবে ৬ করে। তখন অবস্থান নির্ধারণের জন্য তাদের মধ্যকার খেলায় জয়ী দল এগিয়ে থাকবে। সেখানেও পয়েন্ট সমান হলে বিবেচনায় আসবে তাদের মধ্যকার খেলায় গোল ব্যবধান।
প্রত্যেকটি দলই চাইবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে। কেননা তখন শেষ ৩২-এ সামনে পড়বে তৃতীয় স্থান অর্জন করে নকআউটে উঠা কোনো দল। রানার্সআপ দলকে খেলতে হবে ‘আই’ গ্রুপের রানার্সআপদের বিরুদ্ধে। তৃতীয় স্থান নিয়ে পরবর্তী পর্বে ওঠা দলকে কোনো গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হতে হবে।
