বিশ্বব্যাপী দৃষ্টি প্রতিবন্ধিতা দূর করা এবং চক্ষু স্বাস্থ্যের টেকসই উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। বৈশ্বিক এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অন্ধত্ব নিরসনে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ‘বিশ্ব চক্ষু সম্মেলন’ (ওয়ার্ল্ড সামিট ফর আই কেয়ার)-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) পর্যন্ত চলা এই বৈশ্বিক সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়।
সম্মেলনে প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশে চক্ষু সেবার ক্ষেত্রে অর্জিত অগ্রগতি এবং বিশ্বজুড়ে এই খাতের উন্নয়নে নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি আন্তর্জাতিক মহলের সামনে তুলে ধরে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে আগামী দিনে বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্যের টেকসই উন্নয়নে সব দেশের সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে একযোগে কাজ করার ওপর জোর দেন।
গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনটির আয়োজন করে ‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস’ (আইএপিবি)। এটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার এবং আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর একটি শক্তিশালী ফোরাম। উল্লেখ্য, চক্ষু চিকিৎসায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সংস্থাটি ২০১৩ সালে ড. এম এ মুহিতকে ‘আই হেলথ হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত করেছিল।
পেশাগত জীবনে ড. মুহিত একজন প্রখ্যাত চক্ষু ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। তিনি গত ২৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গবেষণা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অন্ধত্ব নির্মূলে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন বৈশ্বিক চক্ষু স্বাস্থ্য নীতিনির্ধারণে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
