যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইরানের ৭৬৩টি স্কুলে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। বাণিজ্যিক স্থাপনার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। হতাহতের শিকার হয়েছেন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরাও। জরুরি সরঞ্জাম থেকে গবেষণাগার, সব ক্ষেত্রেই স্পষ্ট হামলার ক্ষত।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা শুরুর পর থেকেই একের পর এক লক্ষ্যবস্তু করা হয় । প্রথম দফার বিমান হামলায় মিনাবে মেয়েদের একটি স্কুলে ব্যাপক প্রাণহাণির ঘটনা ঘটে।
ব্যবসা স্থাপনার পাশাপাশি হামলা চালানো হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ জরুরি পরিষেবায়।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশজুড়ে ৭৬৩টি স্কুলে হামলা চালানো হয়। একইসঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজারো বেসামরিক এলাকা। ২২ হাজারের বেশি বাণিজ্যিক স্থাপনা এবং ৩২২টি স্বাস্থ্য ও মেডিকেল সেন্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৮টি বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানসহ ২০টি রেড ক্রিসেন্ট স্থাপনায় হামলার কথাও জানানো হয়।
এছাড়া জরুরি সরঞ্জামসহ ৩টি হেলিকপ্টার, ৪৬টি এ্যাম্বুলেন্স এবং ৪৮টি জরুরি পরিষেবা দেয়া যানবাহনের ক্ষতি হয়েছে।
হামলায় শিকার হয়েছেন জরুরি সেবা কর্মীরাও। রেড ক্রিসেন্টের চার সদস্যসহ দু’জন অন্তঃসত্ত্বা নারী নিহত হয়েছেন। হতাহতের শিকার হয়েছেন মেকিকেল কর্মীরাও। লক্ষ্যবস্তু হয়েছে পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা, সীমান্ত ব্যবসা টার্মিনাল, শহিদ বেহেশতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান গবেষণাগারসহ অসংখ্য বেসামরিক মানুষের ঘরবাড়ি।
