রোববার (১৭ মে) সকালে এক বার্তায় এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারস্থ র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক আ. ম. ফারুক।
গ্রেফতাররা হল: বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জালিয়াছড়ি গ্রামের আলী আকবরের মেয়ে লাইলি বেগম (২৬), সালেহ আহমেদের মেয়ে গুল বাহার (৩৫) এবং ইউসুফ আলীর মেয়ে বৃদ্ধা হাজেরা খাতুন (৬৫)। তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে শনিবার বিকেলে ইজিবাইকে মাদকের একটি বড় চালান কক্সবাজারের রামুর দিকে আসছে এমন তথ্য পায় র্যাব। তার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব সদস্যরা রামু হাইটুপি সংলগ্ন নাইক্ষ্যংছড়ি-রামু সড়কে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি শুরু করে। তল্লাশিকালে সন্দেহভাজন একটি ইজিবাইক চেকপোস্টে পৌঁছালে র্যাবের নারী সদস্যদের সহায়তায় দুই নারী যাত্রীর দেহ তল্লাশি করা হয়। এসময় তাদের শরীরে অভিনব উপায়ে পেঁচানো অবস্থায় ৩৮টি ইয়াবার বান্ডেল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্রুত রামু চৌমহনী বাজারের রহিম কমপ্লেক্সের সামনে অভিযান চালিয়ে হাজেরা খাতুন নামের অপর এক নারীকে আটক করা হয়। তার দেহ তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় আরও ২২টি বান্ডেল। সর্বমোট ৬০টি বান্ডেল থেকে প্রায় ১ লাখ ২০ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার নারীরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে নারীদের ব্যবহার করে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে পাইকারি মূল্যে সরবরাহ করে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করে জব্দ করা আলামতসহ রামু থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানায় র্যাব।
