দেশে কমতে শুরু করেছে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ ১৪ দিনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মে মাসের শেষ সপ্তাহের তুলনায় জুনের প্রথম সপ্তাহে মৃত্যু কমেছে অর্ধেক। যদিও এখনও উল্লেখযোগ্যহারে কমেনি আক্রান্তের সংখ্যা। বরং হাম ও উপসর্গে রোগীর সংখ্যা মে মাসের শেষ সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে।
হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশব্যাপী চলছে টিকাদান। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দাবি, শতভাগের বেশি শিশু টিকার আওতায় এসেছে। তাহলে এখন প্রশ্ন- টিকা দেয়ার দুই মাস হতে চললেও কেন কমছে না সংক্রমণ? টিকা কি পেয়েছে সব শিশু?
চিকিৎসকরা বলছেন, টিকার প্রথম ডোজ ৭০ শতাংশের কম কার্যকর। তাই টিকা নেয়ার পর কেউ কেউ আক্রান্ত হতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে সুরক্ষা নিশ্চিতে বয়স অনুযায়ী দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. আতিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, একটি টিকা দিলে ৬০ বা ৭০ শতাংশ সুরক্ষা হয়। দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হলে ৯৫ শতাংশ বা শতভাগ সুরক্ষা হয়।
এ ছাড়া, ৫ বছরের বড় শিশুদেরও বেসরকারিভাবে হামের টিকা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।
ডা. মো. আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, টিকা দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডোজ হলেও সমস্যা নেই, বরং সেটা আরও ভালো। এতে ইমিউনিটি আরও বুস্ট হবে।
হাম থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর অন্য জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার কারণেও সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।
