আগের তুলনায় হাসপাতালে হামের রোগী ভর্তির সংখ্যা কমেছে। তবে প্রতিদিনই শিশু ভর্তি হতে দেখা যায়। প্রায় সব বয়সী শিশুদের আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। তবে ঢাকার ভেতরের রোগীর সংখ্যা কম।
অনেক শিশুদের পরিবার তেমন গুরুত্বই দেননি হামের টিকার, ফলে ৪-৫ বছরের শিশুদের হামে আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। যাদের অধিকাংশদের দেয়া হয়নি টিকা। এছাড়া শিশুদের খাওয়ায় অনিহা, মুখে ঘা ও র্যাশ নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসলেও চিকিৎসকরা অবস্থা গুরুতর না হলে ভর্তি নিচ্ছেননা।
চিকিৎসকরা বলছেন, হামের ভাইরাসে পরিবর্তন হয়েছে কিনা সে নিয়ে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, হামের টিকা একই রকম ভাবে কার্যকর। টিকা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই৷ হামের ভ্যায়রিয়েন্টে কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
কোভিডের পরে টিকাদান নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভীতি তৈরি হয়েছিলো তবে তা কাটিয়ে তোলার আহ্বান সংশ্লিষ্টদের।
শিশুর পরিবারের মধ্যে হামের টিকা নিয়ে ছিল সচেতনতার অভাব, তাই হাসপাতালে বেড়েছে চার-পাঁচ বছরের শিশুরা। এদিকে হামের ভ্যারিয়েন্টের কোনো পরিবর্তন হয়নি তাই পূর্বের টিকা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই বলে জানান চিকিৎসকরা। করোনা পরবর্তী টিকা নিয়ে ভীতি কাটিয়ে ওঠার আহ্বান তাদের।
