ইফতারে যেসব খাবার উপকারী
সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর রোজা ভাঙার মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ। এসময় আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে আপনি পুরো রমজানজুড়ে কতটা সুস্থ থাকবেন। ইফতারের সময় শক্তির মাত্রা পূরণ করা হয়, তাই সব প্রধান
সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর রোজা ভাঙার মুহূর্তটি গুরুত্বপূর্ণ। এসময় আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে আপনি পুরো রমজানজুড়ে কতটা সুস্থ থাকবেন। ইফতারের সময় শক্তির মাত্রা পূরণ করা হয়, তাই সব প্রধান
মানুষ যখন প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায় তখন অনেকেই অলসতা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা সাধারণত অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। দ্রুত ধারণা করা যায় যে প্রোটিনই এর জন্য দায়ী। পুষ্টিবিদদের মতে, সমস্যাটি প্রোটিন নিজে নয় বরং এটি বৃদ্ধি করার
পালং শাক দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টির অন্যতম উৎস হিসেবে সমাদৃত। স্মুদি এবং সালাদ থেকে শুরু করে সবজি এবং স্যুপ পর্যন্ত, এই সবুজ শাকটি অসংখ্য খাদ্যতালিকায় স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু এর অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও, পালং শাক
শীতকালে বেশিরভাগেরই শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা এবং হালকা কাশি দেখা দেয়, যা অনেকে মৌসুমি অসুখ বলে উড়িয়ে দেন। তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, এই শীতকালীন সংক্রমণগুলোর মধ্যে কিছু সমস্যার সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে
ফ্যাটি লিভার এমন একটি রোগ যা বিশ্বজুড়ে অসংখ্য মানুষকে সমস্যায় ফেলে। যদিও ৯০-১০০% অ্যালকোহল ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে অন্যান্য বিপাকীয় এবং জীবনযাপনের ধরন সংক্রান্ত কারণও এর পেছনে দায়ী হতে পারে। আমেরিকান
বর্তমানের ব্যস্ত জীবনযাত্রা ও দূষণের কারণে অল্প বয়সেই ফুসফুসের সমস্যা বাড়ছে। শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা, সিওপিডির মতো রোগের পাশাপাশি ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ছে। ধূমপান, বায়ু দূষণ এবং অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের সম্মিলিত প্রভাবে প্রতিদিন ফুসফুসের ওপর চাপ বাড়ছে। তবে
প্রকৃতিতে এখন হেমন্তের শীতল বাতাস বইছে। শীতের এই সময়ে বাজারে আসে নানা ধরনের মৌসুমী ফল, যার মধ্যে অন্যতম হলো পানিফল। পানিতে জন্ম নেওয়া এই ফলে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম (প্রতি ১০০ গ্রামে ৫৮৪ মিলিগ্রাম) থাকে। এছাড়াও,
শীতকাল এলেই দূষণের পরিমাণ বেড়ে যায়। সূক্ষ্ম কণা (PM2.5) এবং নাইট্রোজেন অক্সাইড ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করে, যা কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসযন্ত্রের ক্ষতির কারণ হয়। এই পরিবেশগত সংকটের মধ্যে অনেকেই ঐতিহ্যবাহী অনুশীলনগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা