শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে চালু হয়েছে নতুন ডিজিটাল লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘প্র্যাক্সিক্স একাডেমি’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), স্মার্ট প্র্যাকটিস এবং ডাটা-ভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির দুর্বলতা চিহ্নিত করে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে সহায়তা করাই এই প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম লক্ষ্য।
বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচুর শিক্ষামূলক কনটেন্ট থাকলেও, শুধু ভিডিও বা কনটেন্ট দেখে পরীক্ষায় কতটা ভালো করা যাবে, তা নির্ধারণ করা যায় না। এই ঘাটতি পূরণে প্ল্যাটফর্মটিতে মূলত অনুশীলন, ফিডব্যাক এবং প্রস্তুতির সঠিক পরিমাপের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক প্রস্তুতির জন্য এতে যুক্ত করা হয়েছে ই-লাইব্রেরি, প্র্যাকটিস, কাস্টম এক্সাম, প্র্যাক্সিক্স এআই, লাইভ এক্সাম, কোয়েশ্চেন ব্যাংক, প্রোগ্রেস রিপোর্ট এবং লিডারবোর্ডের মতো উদ্ভাবনী সব ফিচার।
প্ল্যাটফর্মটির ই-লাইব্রেরির মাধ্যমে স্মার্টফোনেই সিলেবাসভিত্তিক পড়াশোনা, গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট, ব্যক্তিগত নোট সংযোজন এবং ‘অন-স্ক্রিন এআই’-এর সহায়তায় জটিল বিষয় সহজে বোঝার সুবিধা রয়েছে। পড়া মনে রাখার কার্যকর কৌশল হিসেবে ‘অ্যাকটিভ রিকল’ পদ্ধতিতে অনুশীলন এবং টপিকভিত্তিক কাস্টমাইজড পরীক্ষার মাধ্যমে প্রস্তুতি যাচাইয়ের পাশাপাশি সময় ব্যবস্থাপনা ও পরীক্ষাভীতি কাটানোর সুযোগ রয়েছে এখানে। এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ‘প্র্যাক্সিক্স এআই’, যা এনসিটিবি কারিকুলাম অনুযায়ী যেকোনো সৃজনশীল প্রশ্নের (CQ) উত্তর ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম।
এছাড়া লাইভ এক্সাম ফিচারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই সময়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজের অবস্থান যাচাই করা যাবে, যা লিডারবোর্ডে রিয়েল-টাইমে দেখা যাবে। কোয়েশ্চেন ব্যাংকে বিগত বছরের বোর্ড পরীক্ষার পাশাপাশি ক্যাডেট কলেজ ও শীর্ষস্থানীয় স্কুলের প্রশ্ন ও সমাধান রাখা হয়েছে। এসব অনুশীলনের পর প্রোগ্রেস রিপোর্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজেই নিজেদের শক্তিশালী ও দুর্বল বিষয়গুলো শনাক্ত করতে পারবে।
‘প্র্যাক্সিক্স একাডেমি’-এর বিজনেস হেড প্রণয় মণ্ডল বলেন, আজকের শিক্ষার্থীদের কাছে ভালো এডুকেশনাল কনটেন্টের অভাব নেই। কিন্তু শেখা আর কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘মিসিং লিংক’ রয়েছে, আর তা হলো কার্যকর প্র্যাকটিস ও নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা। তাঁরা শিক্ষার্থীদের শুধু কনটেন্ট দিতে চান না, বরং শিক্ষার্থীরা কী শিখছে, কোথায় ভুল করছে এবং কোথায় আরও অনুশীলন প্রয়োজন-সেটিকে একটি ধারাবাহিক লার্নিং জার্নির মধ্যে নিয়ে আসাই তাঁদের লক্ষ্য।
ভবিষ্যতে এআই ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য পার্সোনালাইজড লার্নিং এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ ই-বুক চালুর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। যাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজের প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী অনুশীলনের সুযোগ পায়। ‘প্র্যাক্সিক্স একাডেমি’-এর আর্লি অ্যাক্সেস ও প্ল্যাটফর্মটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে তাদের ওয়েবসাইটে (https://praxix.academy)।
