প্রথম দুই টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের পর তোলপাড় শুরু হয় পাকিস্তান ক্রিকেটে। রাতারাতি ৭জন ক্রিকেটারকে পাল্টে ফেলা হয়। দু’জন কোচকে বরখাস্ত করা হলো। নতুন সাতজন ক্রিকেটারকে দলে আনা হলো।
অবশেষে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বার্মিংহ্যামে শুরু হলো পাকিস্তানের তৃতীয় টেস্ট। তিনজন ক্রিকেটারের অভিষেক হলো এই টেস্টে। কিন্তু শোচনীয় অবস্থা থেকে রেহাই মিললো না পাকিস্তানের। এজবাস্টনে টস হেরে ব্যাট করতে নামতে হয় পাকিস্তান দলকে।
ব্যাট করতে নেমে ইংলিশ বোলারদের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। এক সময় তো এমন হয়েছিল যে, সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার লজ্জার শঙ্কা দেখা দিয়েছিল। ২৬ রানে ৪ উইকেট, ৪৮ রানে পড়ে ৫ উইকেট। তবে মিডল অর্ডারে সউদ শাকিল ৪৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান না করলে ১০০’রও কম রানের লজ্জায় পড়তে হতো পাকিস্তান।
তবুও ব্যাট করতে নেমে ৩৩.৫ ওভারে মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। সউদ শাকিলের ৪৩ রান ছাড়া ২১ রান করেন মোহাম্মদ আব্বাস, রাজাউল্লাহ করেন ১১ রান। বাকিদের কেউ দুই অংকের ঘরও স্পর্শ করতে পারেনি।
সাইম আইয়ুব ০, আজান আওয়াইজ ৯, আবদুল্লাহ শফিক ৩, শান মাসুদ ৫, বাবর আজম ৭, গাজী গৌরি ৪, মোহাম্মদ ইমরান ৫ রান করে আউট হন। ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মোহাম্মদ আলি।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নেন জস টাঙ এবং ৩টি করে উইকেট নেন অলি রবিনসন ও জোফরা আরচার।
