ক্যারট সিড অয়েলের ৯ গুণ

শীতকালীন সবজিতে গাজরের চাহিদা সবসময় বেশি। ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এ সবজি রান্নার পাশাপাশি কাঁচাও খাওয়া যায়। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ত্বকের স্বাস্থ্য ও হজমশক্তি উন্নত করা, হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে হাড় ও চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতির পাশাপাশি অসংখ্য গুণে সমৃদ্ধ সবজি গাজর। সবজির পাশাপাশি গাজরের তেল বা ক্যারট সিড অয়েল আপনার ত্বকের পুষ্টিগুণ ফিরিয়ে বলিরেখা কমায়। সঙ্গে বাড়ায় ত্বকের জেল্লা। এই এসেনশিয়াল অয়েলের গুণাগুন নিয়ে অনেকে দ্বন্দ্বে থাকেন। ক্যারট সিড অয়েলের ৯টি গুণ তুলে ধরা হলো।
১) ক্যারট সিড অয়েলে রয়েছে ভিটামিন A ও E। যা বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমিয়ে বার্ধক্য রোধ করে।
২) এর ভিটামিন Cএবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়ায় এবং ত্বককে সতেজ রাখে।
৩) এর ভিটামিন E ও পটাশিয়াম চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, চুলকে মজবুত করে ও চুল পড়া কমায়। খুশকি ও ফাঙ্গাল ইনফেকশন দূর করতেও সাহায্য করে।
৪) ক্যারট সিড অয়েলে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে যা ত্বকের লালচে ভাব, জ্বালা ভাব, চুলকানি, প্রদাহ কমিয়ে দেয়।
৫) অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণাবলীর জন্য ব্রণ, সোরিয়াসিস, একজিমার মতো সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখে ক্যারট সিড অয়েল।
৬) ক্যারট সিড অয়েলে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে।
৭) ইউভি রশ্মির হাত থেকেও ত্বককে বাঁচায় ক্যারট সিড অয়েল। এই তেলের মধ্যে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ত্বকের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। শুধু রোদ নয়, ল্যাপটপ, মোবাইলের নীল আলো থেকেও ত্বককে সুরক্ষিত রাখে এই এসেনশিয়াল অয়েল।
৮) এটি শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে এবং লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৯) এর সুগন্ধ মনকে শান্ত করতে ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
