ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহ্যাম ও আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসির মধ্যে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হওয়া সংক্ষিপ্ত কথোপকথনটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। ম্যাচের শুরুতেই দুই তারকার মধ্যে কিছু একটা নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়, যা ক্যামেরায় ধরা পড়লে অনেক সমর্থক নানা জল্পনা শুরু করেন। তবে মেসি শুধু মাথা নেড়ে সেখান থেকে হেঁটে চলে যান এবং পুরো ম্যাচে বিষয়টি আর কোনো বিতর্কে রূপ নেয়নি।
ম্যাচ শেষে জুড বেলিংহ্যামও এ নিয়ে সব ধরনের বিতর্ক উড়িয়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘মেসির সঙ্গে কোনো সমস্যাই হয়নি। অনেকে বলছিল একটি ব্লক করা শট নিয়ে নাকি কিছু হয়েছে, কিন্তু সত্যি বলতে সেখানে কোনো সমস্যাই ছিল না। আমি জানি সবাই এটা নিয়ে বড় গল্প বানাবে, কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি তেমন কিছুই নয়।’
বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের প্রশংসাও করেন ইংল্যান্ডের এই মিডফিল্ডার।
তিনি বলেন, ‘আমার কাছে লিওর বিপক্ষে খেলতে পারাটা ছিল এক বিশেষ সৌভাগ্য। সে অসাধারণ একটি বিশ্বকাপ খেলছে এবং আমি ফাইনালের জন্য তার শুভকামনা জানাই।’
বেলিংহ্যামের এই মন্তব্য দ্রুতই সব গুঞ্জনের ইতি টানে এবং দুই তারকার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধই ফুটে ওঠে।
মাঠে অবশ্য আরো একটি জাদুকরী রাত উপহার দিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়া আর্জেন্টিনা শেষ দিকে মাত্র ৭ মিনিটে দুই গোল করে দারুণ প্রত্যাবর্তনে ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ প্রথমে দূরপাল্লার শটে সমতা ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে লিওনেল মেসির দারুণ ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। আর্জেন্টিনার সামনে এখন টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার হাতছানি।
