সেপ্টেম্বরে বাড়তি আমদানিতেও বাজারে কাটছে না এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সংকট। সিলিন্ডার রিফিল করতে প্ল্যান্টে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে বহনকারী ট্রাকের। এতে বাড়ছে ডেমারেজ চার্জ, যার পুরোটাই যাচ্ছে গ্রাহকের পকেট থেকে।
সরকার অক্টোবর মাসে দাম বাড়ানোর পর সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও খুচরা পর্যায়ে মিলছে না সুফল। খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডার ১০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা বেশিতে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
এ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য মিলছে খুচরা বিক্রেতা, ডিলার ও অপারেটরদের কাছ থেকে। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, ডিলাররা দাম বেশি রাখছেন। ডিলাররা বলছেন, অপারেটরদের কাছ থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে গিয়ে বাড়তি পরিবহন ব্যয় গুনতে হচ্ছে। তাছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি প্রাপ্তি কমে যাওয়ায় অক্টোবরে রেশনিং করার কথা বলছেন অপারেটররা।
বড় বড় অনেক আমদানিকারক গত দু-একমাসে কোনো এলসি খুলতে পারেনি। বাজারে তাদের ডিলাররা খুচরায় এলপিজি সরবরাহ দিতে পারছেন না। এতে পুরো সরবরাহ চেইনে ঘাটতি রয়েছে।-চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ
চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমদানির সঠিক চিত্র কারও কাছে নেই। বড় বড় অনেক আমদানিকারক গত দু-একমাসে কোনো এলসি খুলতে পারেনি। বাজারে তাদের ডিলাররা খুচরায় এলপিজি সরবরাহ দিতে পারছেন না। এতে পুরো সরবরাহ চেইনে ঘাটতি রয়েছে। যে কারণে খুচরা বাজারে সরকারঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দাম নিচ্ছে।’
ডিলারদের গাড়ি খালি সিলিন্ডার নিয়ে অপারেটরদের প্ল্যান্টে গিয়ে ৫-৭ দিন বসে থাকতে হচ্ছে। এতে গাড়ির ডেমারেজ উঠছে। ফলে পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিক বাড়ছে। যার প্রভাবও পড়ছে বাজারে। চট্টগ্রামে আমরা পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ করে দেবো।-এলপিজি ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি খোরশেদ উর রহমান
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘একজন খুচরা বিক্রেতা দিনে কয়টি সিলিন্ডার বিক্রি করেন? তাকে চেপে ধরলে পুরো সরবরাহ চেইন ভেঙে পড়বে। ডিলারদের গাড়ি খালি সিলিন্ডার নিয়ে অপারেটরদের প্ল্যান্টে গিয়ে ৫-৭ দিন বসে থাকতে হচ্ছে। এতে গাড়ির ডেমারেজ উঠছে। ফলে পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিক বাড়ছে। যার প্রভাবও পড়ছে বাজারে। চট্টগ্রামে আমরা পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধ করে দেবো।’
এ ডিলারের বক্তব্যের মিল পাওয়া যায় একটি বড় এলপিজি অপারেটরের প্ল্যান্ট পরিদর্শনে গিয়ে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রামের আনোয়ারার রাঙাদিয়া এলাকার ইউনাইটেড আইগ্যাসের প্ল্যান্টে গিয়ে দেখা যায়, প্ল্যান্টের বাইরে প্রায় অর্ধশত ট্রাক খালি সিলিন্ডার নিয়ে অপেক্ষমাণ। অপেক্ষমাণ ট্রাকের চালকরা জানান, তাদের কেউ কেউ পাঁচ-সাতদিন পর্যন্ত অপেক্ষা করছেন গ্যাস রিফিল করার জন্য।
প্ল্যান্টটিতে আসা আরেক ডিলার প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা ২৩১টি সিলিন্ডার নিয়ে এসেছি। পাঁচদিন ধরে আমরা আটকে আছি। প্ল্যান্টে যোগাযোগ করেও ঢোকার অনুমতি পাচ্ছি না। তারা অন্য ডিলারদের আগে দিয়ে দিচ্ছে। অনেকে আমাদের পরে এসে আগে চলে যাচ্ছে। অথচ আমরাও আগে ডিও কেটে আসছি।’
আইগ্যাস প্ল্যান্টের সামনে কয়েকদিন ধরে অপেক্ষমাণ কয়েকজন চালক বলেন, এই প্ল্যান্টে পেট্রোম্যাক্সের সিলিন্ডার রিফিল করছে। তাদের সিরিয়াল নিতে হচ্ছে না। আমাদের সামনেই ১৫টির মতো ট্রাক আসা মাত্রই প্ল্যান্টে ঢুকে গেছে।
বাঁশখালী থেকে আসা চালক আক্কাস বলেন, ‘এখানে বসে থাকলে বড় ট্রাক দৈনিক তিন হাজার টাকা, ছোটগুলো দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা ডেমারেজ দিতে হয়। বড় ট্রাক পাঁচদিন বসে থাকলে ১৫ হাজার টাকা ডেমারেজ আসে। এক সিলিন্ডারে ৩০০ টাকার মতো পরিবহন ডেমারেজ হয়। ফলে ডিলারদের বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি করতে হয়।’
আমাদের দৈনিক ৪শ টনের মতো সিলিন্ডার রিফিল হয়। এতে দিনে ৩৩ হাজারের মতো সিলিন্ডার রিফিল করে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই সরবরাহ দিই। এর চেয়ে বেশি গাড়ি চলে এলে তাদের বাইরে অপেক্ষা করতে হয়।-ইউনাইটেড আইগ্যাসের সিনিয়র ম্যানেজার (প্ল্যান্ট) অরিজিত ভট্টাচার্য্য
এ বিষয়ে কথা হয় ইউনাইটেড আইগ্যাসের সিনিয়র ম্যানেজার (প্ল্যান্ট) অরিজিত ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের দৈনিক ৪শ টনের মতো সিলিন্ডার রিফিল হয়। এতে দিনে ৩৩ হাজারের মতো সিলিন্ডার রিফিল করে আমরা সঙ্গে সঙ্গেই সরবরাহ দিই। এর চেয়ে বেশি গাড়ি চলে এলে তাদের বাইরে অপেক্ষা করতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক ডিলারদের ডিও দেওয়ার সময় রিফিলের অগ্রিম শিডিউল দেওয়া হয়। অনেকে শিডিউলের আগে চলে আসে। যে কারণে বাইরে কিছু গাড়ি অপেক্ষমাণ। তবে বিইআরসির দাম বাড়া কিংবা কমানোর সঙ্গে আমাদের সরবরাহের কোনো সম্পর্ক নেই। বাজার স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা শুক্রবারও প্ল্যান্ট খোলা রেখেছি, ডিলারদের সরবরাহ দিয়েছি।’
আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম নির্ধারণের মূল ভিত্তি হলো সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের চুক্তিমূল্য বা সৌদি সিপি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) প্রতি মাসে এই সৌদি সিপির ওপর ভিত্তি করে দেশের বাজারে এলপিজির ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য সমন্বয় করে।
সৌদি আরামকোর ঘোষিত মূল্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে প্রোপেন ছিল প্রতি টন ৬২৫ ডলার এবং বিউটেন ৬৬০ ডলার। অক্টোবর মাসে দাঁড়িয়েছে প্রতি টন প্রোটেন ৬৮০ ডলার এবং বিউটেন ৭৩০ ডলার। বিইআরসির নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি উদ্যোক্তারা এলপিজিতে ৩৫ শতাংশ প্রোপেন এবং ৬৫ শতাংশ বিউটেনের মিশ্রণ করে।
গত ৪ অক্টোবর বিইআরসি ১২ কেজি বোতলজাত এলপি গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। এর আগে দাম ছিল ১৫৮৫ টাকা। সরকারিভাবে দাম ১৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও নগরীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে সাধারণ গ্রাহকদের এক সিলিন্ডার গ্যাস কিনতে ১৯শ থেকে ২৩শ টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে।
নগরীর বাকলিয়া অ্যাক্সেস রোডের খুচরা এলপি গ্যাস বিক্রেতা চুলাঘরের দোকানদার রাইয়ান জাগো নিউজকে বলেন, ‘আইগ্যাস ২০৫০ টাকা, ফ্রেশ ১৯৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে আমাদের কাছে বিএম কিংবা বসুন্ধরা গ্যাস নেই।’
নগরীর কোতোয়ালির ব্যাটারি গলি এলাকার দোকানদার ফয়সাল জাগো নিউজকে বলেন, ‘দাম বাড়ানোর পর কিছু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে আমাদের বাড়তি দামে সিলিন্ডার আনতে হচ্ছে। এখন ১২ কেজির সিলিন্ডার খুচরায় আমরা ১৯৫০ টাকায় বিক্রি করছি।’
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ার শাহগদি মার্কেট এলাকার এলপিজি দোকানি বলেন, ‘তারা প্রতি সিলিন্ডার ২৩শ টাকায় বিক্রি করছেন।’ পটিয়ার মুন্সেফবাজারসহ পৌর এলাকার খুচরা দোকানগুলোতে ২২৫০ থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ১২ কেজির সিলিন্ডার।’
এলপিজি অপারেটরদের সংগঠন লোয়াবের তথ্য বলছে, ২৩ প্রতিষ্ঠানের কাছে আমদানির অনুমতি থাকলেও গত আগস্টের শেষ দিক থেকে মাত্র ১০টি অপারেটর এলপিজি আমদানি করেছে। যমুনা স্পেসটেক, ইউনাইটে আইগ্যাস, ওমেরা, বিএম এনার্জি, সানগ্যাস, মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ, পেট্রোম্যাক্স, টোটাল গ্যাস (প্রিমিয়ার), সেনাকল্যাণ ও টিএমএস এবং সাজেদা অ্যান্ড কোম্পানি। ব্যাংকিং জটিলতার কারণে বসুন্ধরা, বেক্সিমকো, ডেল্টা, ইউনিগ্যাস, ওরিয়ন, জি-গ্যাস ও নাভানা ঋণপত্র খুলতে পারেনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য বলছে, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ আমদানিকারক ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৪০ টন এলপিজি (প্রোপেন ও বিউটেন মিলে) শুল্কায়ন করেছে। এর মধ্যে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক মাসে ২ লাখ ৩ হাজার ১৩৮ টন এলপিজি শুল্কায়ন হয়। অথচ মাসে গড়ে দেড় লাখ টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ছয়দিনে শুল্কায়ন হয় ২৪ হাজার ৮০১ টন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২০ দিনে শুল্কায়ন হয় ১ লাখ ৬২ হাজার ৫৬৫ টন এলপিজি। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর শেষ ১৬ দিনে শুল্কায়ন হয় ৬৫ হাজার ৩৭৫ টন।
এর মধ্যে শীর্ষ আমদানিকারক অপারেটর যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার। তারা সেপ্টেম্বর মাসে ৫৭ হাজার ৯০৮ টন ও অক্টোবর মাসের প্রথম ৬ দিনে ৩ হাজার ৬শ টন এলপিজি আমদানি করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানিকারক ইউনাইটেড আইগ্যাস সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি করেছে ৩৫ হাজার ২৩২ টন। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত শেষ ১৬ দিনে আমদানি করেছে ১১ হাজার ৮শ টন। তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানিকারক ওমেরা পেট্রোলিয়াম সেপ্টেম্বর মাসে এলপিজি আমদানি করেছে ২৪ হাজার ২০৩ টন এবং ১-৬ অক্টোবর ছয়দিনে আমদানি করেছে ৮ হাজার ৪০১ টন। চতুর্থ স্থানে থাকা বিএম এনার্জি সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি করেছিল ২২ হাজার ৮৫২ টন। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত শেষ ১৬ দিনে আমদানি করেছে ৫ হাজার টন।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী ২ অক্টোবর থেকে ৩৩শ টনের ট্যাংকার ‘গ্যাস সাকসেস’ এবং ৭ অক্টোবর থেকে পাঁচ হাজার টনের ‘এপিক সোসোই’ জেটিতে খালাস হচ্ছে। আর ১১ অক্টোবর আড়াই হাজার টন এলপিজিবাহী ট্যাংকার ‘মর্নিং জেইন’ চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে।
আমাদের মতো যাদের আগের চুক্তি ছিল তাদের প্রিমিয়াম কম হলেও স্পট মার্কেটে এখন প্রতিটনের প্রিমিয়াম ৪৫০ ডলার। তাই লোকসানের ভয়ে অনেকে স্পট মার্কেট থেকে এলপিজি আনতে সাহস পাচ্ছে না। ফলে এ মাসে বাজারে সরবরাহ কম থাকতে পারে।-বিএম এনার্জির মালিক প্রতিষ্ঠ স্মার্ট গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মাইনুল আহসান খান
কথা হলে দেশে এলপিজির বড় উদ্যোক্তা বিএম এনার্জির মালিক প্রতিষ্ঠ স্মার্ট গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্যাপ্টেন মাইনুল আহসান খান জাগো নিউজকে বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের শুরু থেকে সারাবিশ্বে এলপিজি নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে। বড় বড় সাপ্লায়াররা ফ্রেইট বাড়িয়ে দিয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে আমরা প্রায় সাড়ে ২৩ হাজার টন এলপিজি আমদানি করেছিলাম। এ মাসে (অক্টোবর) সাপ্লায়ার আমাদের সাড়ে ১৬ হাজার টন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তা দিয়ে পুরো মাস রেশনিং করে চালাতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মতো যাদের আগের চুক্তি ছিল তাদের প্রিমিয়াম কম হলেও স্পট মার্কেটে এখন প্রতিটনের প্রিমিয়াম ৪৫০ ডলার। তাই লোকসানের ভয়ে অনেকে স্পট মার্কেট থেকে এলপিজি আনতে সাহস পাচ্ছে না। ফলে এ মাসে বাজারে সরবরাহ কম থাকতে পারে।’
বাংলাদেশে এলপিজি খাতের উদ্যোক্তাদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (লোয়াব) সভাপতি এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ডেল্টা এলপি গ্যাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘সারাবিশ্বে জ্বালানি নিয়ে সংকট চলছে। আমাদের দেশে পাইপলাইনে গ্যাসের সরবরাহ কমার কারণে এলপিজিতে চাপ তৈরি করেছে। বাজারে কোনো সিন্ডিকেট নেই। অপারেটররা সরকারি দামে ডিলারদের এলপিজি সরবরাহ দিচ্ছে। তাতে কোনো ডিলার বেশি দামে বিক্রি করলে তাদের বিরুদ্ধে ডিলারশিপ বাতিলসহ আমরা যেমন ব্যবস্থা নেবো, প্রশাসনেরও উচিত নজরদারি বাড়ানো।’
