প্রতিদিনের ইফতারে একজনকে শরিক করি
রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে সিয়াম, কিয়াম ও দান-সদকার মাধ্যমে বান্দা তার রবের নৈকট্য অর্জন করে। ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের সময় নয়; এটি সহমর্মিতা, ভাগাভাগি ও সামাজিক সংহতির অনন্য সুযোগ।
রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে সিয়াম, কিয়াম ও দান-সদকার মাধ্যমে বান্দা তার রবের নৈকট্য অর্জন করে। ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের সময় নয়; এটি সহমর্মিতা, ভাগাভাগি ও সামাজিক সংহতির অনন্য সুযোগ।
এবারও দেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৭ হিজরি সনের ফিতরার
ইফতার একটি পুণ্যময় ইবাদত। সাধারণত সারাদিন রোজা রাখার পর সন্ধ্যায় ইফতারি-খাবার গ্রহণ করা হয়। যা আমাদের সমাজে পরিচিত একটি মুসলিম সংস্কৃতি। দেশের বিভিন্ন মসজিদে ইফতারের আয়োজন করা হয়। এতে সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তবে
রমজান মাস আত্মসংযম, তাকওয়া ও ইবাদতের মাস। এই মাসে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করেন। রোজা আল্লাহর ফরজ বিধান, তবে ইসলামে মানুষের সাধ্যের বাইরে কোনো
রমজান কেবল একটি মাস নয়, এটি মানুষের অন্তর্জগতের বিপ্লবের নাম। এটি এমন এক ঋতু, যখন আত্মা তার উৎসের দিকে ফিরে যাওয়ার পথ খুঁজে পায়, যখন ব্যস্ততা ও ভোগের ঘূর্ণাবর্তে হারিয়ে যাওয়া মানুষ আবার নিজের পরিচয়
‘সাহরি’ শব্দটি এসেছে ‘সাহর’ থেকে, যার অর্থ শেষ রাত বা ভোররাত। ফজরের আগমুহূর্তে রোজা পালনের নিয়তে যে খাবার গ্রহণ করা হয় তাকে সাহরি বলা হয়। ইসলামে সাহরির মূল উদ্দেশ্য হলো রোজাদারকে রোজা পালনে শক্তি জোগানো
রমজান মাস মুসলানদের ইবাদতের মাস। রমজান মুসলমানদের হৃদয়ে আগমন করে রহমত হিসেবে। মুসলমানগণ যেন, যথাযথ আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী করতে পারে এর জন্য আল্লাহ বিতাড়িত শয়তানকে বন্দি করে রাখেন। হাদিস শরিফে এসেছে, হযরত আবু হুরায়রা
ইসলামে ইবাদতের প্রতিটি বিধানে রয়েছে মানবিকতা ও বাস্তবতার ছাপ। নামাজের আগে পবিত্রতা অর্জনের জন্য সাধারণত অজু বা গোসল ফরজ। কিন্তু এমন পরিস্থিতি আসতে পারে-- পানি নেই, কিংবা অসুস্থতার কারণে পানি ব্যবহার করা ক্ষতিকর। তখন
ইসলামে আমাদের জন্য পাঁচটি স্তম্ভ ফরজ করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো রোজা। রোজা আমাদের শারীরিক ইবাদতের অন্যতম। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, شَہۡرُ رَمَضَانَ الَّذِیۡۤ اُنۡزِلَ فِیۡہِ الۡقُرۡاٰنُ ہُدًی لِّلنَّاسِ وَبَیِّنٰتٍ مِّنَ
তারাবির শাব্দিক অর্থ বিশ্রাম নেয়া বা প্রশান্তি লাভ করা। পারিভাষিক অর্থে তারাবি বলা হয় ‘রমাজান মাসে এশার নামাজের পর বিতরের পূর্বে আদায়কৃত সুন্নত নামাজ তারাবি নামে পরিচিত।’ তবে চার রাকাত আদায়ের পর বিরতির মাধ্যমে