রাজধানীর বিজয়নগরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। হামলার পরপরই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তদন্ত চালিয়ে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন সহিংসতা “একেবারেই অগ্রহণযোগ্য”। তিনি এটিকে দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশের জন্য “দুঃখজনক ও বিপজ্জনক” বলে উল্লেখ করেন।
আহত ওসমান হাদির চিকিৎসা বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিশেষ নির্দেশনাও প্রদান করা হয়েছে।
হামলার ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং হামলার পেছনে কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা থাকলে তা খতিয়ে দেখতে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের সহিংসতা বরদাশত করা হবে না। জনগণের নিরাপত্তা এবং প্রার্থীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। দোষীরা যে-ই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে।”
প্রধান উপদেষ্টা দেশের সব রাজনৈতিক দল, কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ নাগরিকদের প্রতি শান্তি ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানান, যাতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে।
