গত ১৭ জুলাই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ চলাকালে বাঁ পাশের পেশিতে (সাইড স্ট্রেন) চোট পান নাহিদ। পরবর্তী স্ক্যানে তার গ্রেড-২ সাইড স্ট্রেন ধরা পড়ে। এই চোট সারতে প্রায় চার সপ্তাহ এবং পরে বোলিংয়ের জন্য ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নিতে আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ লাগবে। সব মিলিয়ে তার মাঠে ফিরতে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
অন্যদিকে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম গ্রেড-১ হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে সেরে উঠছেন। আগামী ২৯ জুলাই থেকে বোলিং শুরু করার কথা রয়েছে তার। ১২ আগস্টের দিকে ফিটনেস পরীক্ষা হবে। ফলে প্রথম টেস্টে খেলার সম্ভাবনা কম থাকলেও, মেডিকেল ছাড়পত্র পেলে দ্বিতীয় টেস্টে তার ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন কুমার দাসও পুনর্বাসন চালিয়ে যাচ্ছেন। বাঁ পায়ের কাফ মাংসপেশির চোট নিয়ে সিঙ্গাপুরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পর তিনি প্লেটলেট-রিচ প্লাজমা (পিআরপি) চিকিৎসা নিয়েছেন। আগামী ২৮ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে দৌড় ও কন্ডিশনিং শুরু করবেন তিনি। ১৩ আগস্টের দিকে ফিটনেস মূল্যায়নের পর সবকিছু ঠিক থাকলে দ্বিতীয় টেস্ট থেকেই নির্বাচনের জন্য বিবেচনায় আসতে পারেন লিটন।
এদিকে ডানহাতি পেসার তানজিম হাসান সাকিব এখনও পুনর্বাসন প্রক্রিয়াতেই রয়েছেন। বিদেশি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ও সর্বশেষ স্ক্যানের ভিত্তিতে তাকে আরও আট থেকে দশ সপ্তাহ পুনর্বাসনে থাকতে হবে। এরপর আবার স্ক্যান করা হবে। হাড়ের চোট পুরোপুরি সেরে ওঠার ওপর নির্ভর করবে তার মাঠে ফেরা। বিসিবির ধারণা, বছরের শেষ দিকে তিনি আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন।
বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানও ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিং ও কাফের চোট কাটিয়ে উঠছেন। প্রতিদিন পুনর্বাসন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। জুলাইয়ের শেষ দিকে তার ফিটনেস পরীক্ষা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিংয়ের চাপ সামলাতে পারলে ১৮ আগস্টের পর থেকেই নির্বাচনের জন্য পুরোপুরি এভেইলেবল থাকবেন মোস্তাফিজুর।
