শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় একটি অনুষ্ঠান শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধসংক্রান্ত আইনের খসড়া অনুমোদনের জন্য আগামী মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে তোলা হবে। চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি সংসদে যাবে।’
এর আগে আরেক অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ আইনসংক্রান্ত আইনের বিষয়ে ভুল ব্যাখ্যা গেছে, আমরা এই দুইটা আইন পাস করব না বলে পার্লামেন্টে উঠাইনি। মানবাধিকার কমিশন আইনসংক্রান্ত যে বিলটা আমরা নিয়ে এসেছি ১৩৩টি অর্ডিন্যান্সের মধ্যে। সেখানে আমরা বলেছি, অধিকতর যাচাই-বাছাই করে নিয়ে আসব। আমরা গুম প্রতিকার ও প্রতিরোধ-সংক্রান্ত আইন নেইনি। এটার ক্ষেত্রেও আমরা পাবলিক স্টেটমেন্ট করেছি, অধিকতর যাচাইবাছাই করে নিয়ে আসব।’
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী
তিনি বলেন, ‘খসড়া চূড়ান্ত করতে সিভিল সোসাইটি, ল’ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি ও উন্নয়ন সহযোগীদের আলোচনা হয়েছে। এ ছাড়া ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছিল। সেখানে আসা মতামত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সুপারিশগুলো যতটা সম্ভব আমরা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছি এবং আইন মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটিতেও এটা যাচাই-বাছাই করার অনেক সুযোগ রয়েছে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলতে পারি, গত কয়েক মাসে বিচার বহির্ভূত হত্যা প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। গুমের একটা অভিযোগ যখন এসেছে, আমরা এটাকে খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি এবং আমি ইন্টারনালি বলেছি, এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স দেখানোর জন্য। খুব স্বচ্ছভাবে তদন্ত হওয়া দরকার এবং সেই সঙ্গে পরিবারগুলোর পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য যেটা করার, আমরা করেছি।’
