এক শট কম নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মিশরের পেনাল্টি শুটআউটের ব্যবধান তখন ২-২। ওমন সময়ে পানেনকা শট মারেন মিশরের সবচেয়ে বড় তারকা মোহামেদ সালাহ। গোলরক্ষক বাঁ-প্রান্তে ঝুঁকে পড়েছিলেন, সালাহর আলতো টোকায় বল বাতাসে ভেসে গোলপোস্টের মাঝ বরাবর ধীর গতিতে জালে প্রবেশ করে।
তিন শট শেষে মিশর এগিয়ে যায় ৩-২ ব্যবধানে। অস্ট্রেলিয়ার লুকাস হেরিংটন চতুর্থ শট মিস করলেও হোসাম আবদেলমাগুদ কোনো ভুল করেননি। মিশর জয় পায় ৪-২ ব্যবধানে।
ম্যাচ শেষে পানেনকার মতো ঝুঁকিপূর্ণ শট নেওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সালাহ। সতীর্থদের আত্মবিশ্বাস দিতেই শেষ মুহূর্তে পানেনকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সালাহ বলেন, ‘যদি এই কাজটা করার মতো কেউ থাকে, তাহলে সেটা আমি-ই। অন্যদের তুলনায় আমার অভিজ্ঞতা বেশি, আর আমি সতীর্থদের আত্মবিশ্বাস দিতে চেয়েছিলাম।
সালাহ বলেন, ‘শেষ মুহূর্তে আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এটি আমার শেষ বিশ্বকাপ কি না, আমি জানি না। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, এই দায়িত্বটা আমারই নেওয়া উচিত ছিল। এটা ইতিহাস। ম্যাচের আগে আমি সতীর্থদের বলেছিলাম, এটাই আমাদের খেলার সবচেয়ে বড় মঞ্চ। তাই মুহূর্তটা উপভোগ করো, চাপকে তোমাদের ওপর ভর করতে দিও না।’
শেষ ষোলোয় উঠতে পারায় খুশি সালাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা ম্যাচটি জিততে পেরেছি, এজন্য আমি খুবই আনন্দিত। তাদের জন্য দুর্ভাগ্য, তারা টাইব্রেকারে হেরে গেছে। তবে আজ আমরা ইতিহাস গড়তে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় আনন্দ।’
