হাম প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই নিউমোনিয়া-ডেঙ্গুর প্রকোপ, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিউমোনিয়া ও ডেঙ্গু আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা। এটি জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে ‘ত্রিমুখী চাপ’ আখ্যা দিয়েছেন।

হামের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শিশুরা এখন সহজেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অন্যদিকে বর্ষার এ মৌসুমে ডেঙ্গু মশার উপদ্রবে হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম পরবর্তী নানা জটিলতার সঙ্গে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস নিউমোনিয়া। আর ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

যে কারণে সাড়ে তিন মাস পার হলেও বদলাচ্ছে না হাম ওয়ার্ডের চিত্র। স্বজনের আহাজারি আর শিশুদের নিঃশব্দ আর্তনাদে এখনও ভারি পরিবেশ।

এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক কামরুল বলেন,
হামের জীবাণুর কারণ ছাড়াও অ্যাডিনো বা অন্য ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিউমোনিয়া হতে পারে। তবে শিশুরা হাসপাতালে বেশি আসছে অ্যাডিনো ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে।

চিকিৎসক কামরুল আরও বলেন,
ডেঙ্গুও ভাইরাসজনিত রোগ। যেটি বহন করে এডিশ মশা। তাই আমি বলবো, হাম, নিউমোনিয়া কিংবা ডেঙ্গুর মতো ভাইরাসজনিত যেকোনো রোগ থেকে শিশুদের সুস্থ রাখতে হলে ডায়েটে প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি প্রাধান্য দিতে হবে।

বর্তমানে হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি অধিকাংশ শিশুই হাসপাতালে আসছে একাধিকবার। রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগই মারাত্মক নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

হাম, নিউমোনিয়া ও ডেঙ্গুর কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ায় বেশিরভাগই রোগী সুচিকিৎসা পেতে ঢাকামুখী হচ্ছেন। স্বজনদের অভিযোগ, উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসার ভালো পরিবেশ না পেয়ে বাধ্য হয়েই ঢাকামুখী হচ্ছেন রোগীরা।

Read Previous

ফরিদপুরের সকল দাবি প্রধানমন্ত্রী পূরণ করবেন: শামা ওবায়েদ

Read Next

সতীর্থদের আত্মবিশ্বাস দিতেই সালাহর পানেনকা শট

Most Popular