সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রচার-প্রচারণার অংশ হিসেবে রোববার বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে মিলনমেলা বসেছিল দুই প্রজন্মের তারকা ফুটবলারদের। উদ্দেশ্য ছিল একটি ব্যতিক্রমী প্রীতি ম্যাচ। যে ম্যাচে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশের ফুটবলের দুই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনকারী দল।
২০০৩ সালে এই স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রথমবার জিতেছিল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা। তার ৭ বছর পর একই ভেন্যুতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বর্ণ জিতেছিল সাউথ এশিয়ান (এসএ) গেমসে। সেই সাফল্যের নায়কদের ৬০ মিনিটের ম্যাচ ঘিরে অতীতে ফিরে গিয়েছিলেন দর্শক-সমর্থকরা।
কিছু দর্শক ছিলেন গ্যালারিতে। তবে মাঠের পাশে বসে ও দাঁড়িয়ে ম্যাচ দেখেছেন অনেক। এই ম্যাচ হয়েছে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের আগ্রহ ও উদ্যোগে। তিনি ছিলেন ২০০৩ ও ২০১০ সালের দুই চ্যাম্পিয়ন দলেরই সদস্য।
মন্ত্রীর পেনাল্টি মিস, সাফ চ্যাম্পিয়নদের হারালো এসএ গেমস স্বর্ণজয়ীরা
রোববার তিনি খেলেছেন দুই দলের জার্সিতেই। প্রথমার্ধে খেলেছেন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দলে, দ্বিতীয়ার্ধে এসএ গেমসের দলে। ২৩ এবং ১৬ বছর আগে দুই দল যে জার্সি পরে ফাইনাল খেলেছিলেন, তেমন জার্সি গায়ে দিয়েই মাঠে নেমেছিলেন ফুটবলাররা।
আমিনুল হক দুই দলেই খেলেছেন। দেশের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক খেলেছেন আক্রমণভাগে। সাফ চ্যাম্পিয়ন দলে খেলেছেন ৯ নম্বর জার্সি গায়ে এবং এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলে খেলেছেন ১ নম্বর জার্সি গায়ে।
সিনিয়রদের হারিয়ে প্রীতি ম্যাচ জিতে নিয়েছে এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দল। ২-১ ব্যবধানের জয়ে গোল করেছেন নাসিরুল ইসলাম নাসির ও মিঠুন চৌধুরী। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ার পর ২০০৩ সালের দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন আলফাজ আহমেদ। তবে ম্যাচে তাদের হারতেই হয়েছে।
৩-১ হতে পারতো ব্যতিক্রমী এই প্রীতি ম্যাচটি। শেষ দিকে পেনাল্টি পেয়েছিল এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী দলটি। তবে আমিনুল হকের দূর্বল শট ধরতে কোনো সমস্যাই হয়নি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ দলের গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য্যের।
ম্যাচের বিরতিতে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ী কোচ প্রয়াত জর্জ কোটানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। অস্ট্রিয়ান এই কোচ ইন্তেকাল করেছেন ২০২৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর।
